Electrical Measurment
কি কি উপায়ে ইন্সট্রুমেন্টের রেঞ্জ বৃদ্ধি করা যায়?
শান্ট, মাল্টিপ্লায়ার, সিটি ও পিটি ব্যবহার করে ইন্সট্রুমেন্টের রেঞ্জ বৃদ্ধি করা যায়।
অ্যামিটারের রেঞ্জ কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়?
শান্ট ব্যবহার করে।
মাল্টিপ্লায়ারের মাল্টিপ্লাইং ফ্যাক্টর কি?
ইন্সট্রুমেন্টের পূর্ণ-রেঞ্জ ভোল্টেজ এবং মিটারের আড়াআড়িতে ভোল্টেজের অনুপাতকে মাল্টিপ্লায়ারের মাল্টিপ্লাইং ফ্যাক্টর বলে।
সোয়াম্পিং রেজিস্ট্যান্স কি?
PMMC ইন্সট্রুমেন্টে তাপমাত্রাজনিত ক্ষতিপূরণের জন্যে মুভিং কয়েলের সাথে সিরিজে একটি রেজিস্ট্যান্স সংযোগ করা হয়, যা সোয়াম্পিং রেজিস্ট্যান্স নামে পরিচিত ম্যাঙ্গানিন ও তামার ২০/১ হতে ৩০/১ অনুপাতের মিশ্রনে এই রেজিস্ট্যান্স তৈরি করা হয়।
ভোল্টমিটার মাল্টিপ্লায়ার কি?
ভোল্টমিটারের রেঞ্জ বাড়ানোর জন্য একটি নন ইন্ডাক্টিভ রেজিস্ট্যান্স ইন্সট্রুমেন্টের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়, যা ভোল্টমিটার মাল্টিপ্লায়ার নামে পরিচিত।
রেঞ্জসহ রেজিস্ট্যান্সের শ্রেণিবিন্যাস দেখাও।
তিনভাগ, যথাঃ
১) লো-রেজিস্ট্যান্সঃ ০ থেকে ১ ওহম।
২) মিডিয়াম-রেজিস্ট্যান্সঃ ১ থেকে ১০০ কিলো-ওহম।
৩) হাই-রেজিস্ট্যান্সঃ ১০০ কিলো-ওহম হতে অসীম।
কি কি উপায়ে লো-রেজিস্ট্যান্স মাপা যায়?
অ্যামিটার ভোল্টমিটার পদ্ধতি, ওহমমিটার পদ্ধতি, পটেনশিওমিটার পদ্ধতি, কেলভিন ডাবল ব্রিজ পদ্ধতি উপায়ে।
ভোল্টমিটারের লোডিং বা শান্টিং ইফেক্ট কি?
কোন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের সময় রেজিস্ট্যান্সের আড়াআড়ি সংযুক্ত ভোল্টমিটারের রেজিস্ট্যান্স তুলনামূলক কম হলে এর মধ্যে দিয়ে একটি উল্লেখযোগ্য কারেন্ট প্রবাহিত হয়। ফলে পরিমাপ্য রেজিস্ট্যান্সের মান কম হয়। একে ভোল্টমিটার শান্টিং বা লোডিং ইফেক্ট বলে।
লো-রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের সর্বোত্তম পদ্ধতি কি?
কেলভিন ডাবল ব্রিজ পদ্ধতি।
সেমিকন্ডাক্টর কি? পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর কি? এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর কি?
সেমিকন্ডাক্টরঃ ইহা এমন একটি পদার্থ যার কন্ডাক্টিভিটি কন্ডাক্টর এর চেয়ে কম ও ইন্সুলেটর এর চেয়ে বেশি। ইহার বাহিরের অরবিটে ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সংখ্যা কন্ডাক্টর ও ইন্সুলেটর এর মাঝমাঝি। সিলিকন, জার্মেনিয়াম, কার্বন সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ।
পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরঃ যে সব সেমিকন্ডাক্টরে হোলের সংখ্যা ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে বেশি থাকে তাকে পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বলে।
এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরঃ যে সেমিকন্ডাক্টরে হোলের সংখ্যা ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে কম থাকে তাকে এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বলে।
সেমিকন্ডাক্টরে ডুপিং কি?
যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাটি সেমিকন্ডাক্টরের মধ্যে ভেজাল মিশ্রিত করা হয় তাকে ডুপিং বলে। ডুপিং এর মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টরে হোল বা ফ্রি ইলেকট্রন উৎপন্ন করা হয় এবং সেমিকন্ডাক্টরে কারেন্ট প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
হোল কি?
কোন বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরে যদি একটি ত্রিযোজী মৌল মিশানো হয়, তবে চারটি ইলেকট্রনের সাথে তা সমযোজী বন্ধন তৈরি করতে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকে। এই ঘাটতি অংশই হোল।
মেজরিটি চার্জ ক্যারিয়ার কি?
কোন খাঁটি সেমিকন্ডাক্টরে ডুপিং এর সাহায্যে যে ভেজাল সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয় তার মধ্যে ফ্রি ইলেকট্রন বা হোল এর মধ্যে যেটির পরিমান অধিক থাকে তাকে মেজরিটি চার্জ ক্যারিয়ার বলে।
মাইনরিটি চার্জ ক্যারিয়ার কি?
কোন খাঁটি সেমিকন্ডাক্টরে ডুপিং এর সাহায্যে যে ভেজাল সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয় তার মধ্যে ফ্রি ইলেকট্রন বা হোল এর মধ্যে যেটির পরিমান কম থাকে তাকে মাইনরিটি চার্জ ক্যারিয়ার বলে।
এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে ফ্রি ইলেকট্রন এবং পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে হোল হল মেজরিটি চার্জ ক্যারিয়ার। এর উল্টা হবে মাইনরিটি চার্জ ক্যারিয়ার।
পি-এন জাংশন কি?
একটি পি-টাইপ এবং একটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর একত্রে সংযোগ করলে যে জাংশন তৈরি হয় তাকে পি-এন জাংশন বলে।
বায়াসিং কি?
যে ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রানজিস্টর বা ডায়োড সার্কিটে আউটপুট ইম্পিড্যান্স ও ইনপুট ইম্পিড্যান্স এর মাঝে তারতম্য ঘটানো হয় তাকে বায়াসিং বলে। বা ট্রানজিস্টর বা ডায়োড সার্কিটে ভোল্টেজ সাপ্লাই দেবার পদ্ধতিকে বায়াসিং বলে। দুই ভাবে বায়াসিং করা যায়- ১) ফরওয়ার্ড বায়াসিং ২) রিভার্স বায়াসিং।
১) ফরওয়ার্ড বায়াসিংঃ পি এন জাংশনে যে ভোল্টেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে যদি পটেনশিয়াল বেরিয়ারকে অতিক্রম করে জাংশনে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তাকে ফরওয়ার্ড বায়াসিং বলে ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্ত পি স্তরে ও ব্যাটারির নেগেটিভ প্রান্ত এন স্তরে সংযোগ করলে একে ফরওয়ার্ড বায়াসিং সংযোগ বলে।
২) রিভার্স বায়াসিংঃ প এন জাংশনে যে ভোল্টেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে যদি পটেনশিয়াল বেরিয়ার বেড়ে গিয়ে জাংশনে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তাকে রিভার্স বায়াসিং বলে ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্ত এন স্তরে ও ব্যাটারির নেগেটিভ প্রান্ত পি স্তরে সংযোগ করলে একে রিভার্স বায়াসিং সংযোগ বলে।
পিক ইনভারস ভোল্টেজ (PIV) কি?
ইহা ডায়োডের সরবোচ্চ রিভার্স ভোল্টেজ যাতে ডায়োডটি নষ্ট না হয়ে কাজ করতে পারে। ডায়োডের আড়াআড়িতে রিভার্স ভোল্টেজ পিক ইনভারস ভোল্টেজ এর চেয়ে বেশি হলে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ডায়োডটি নষ্ট হয়ে যায়।
রেক্টিফায়ার কি?
যে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের সাহায্যে পরিবর্তনশীল কারেন্টকে (A/C) একমুখী কারন্টে (D/C) রূপান্তরিত করা হয় তাকে রেক্টফায়ার বলে।
রিপল ফ্যাক্টর কি?
রেক্টফায়ার এর আউটপুটে পালসেটিং DC এর AC কম্পোনেন্ট এর rms মান এবং DC কম্পোনেন্ট এর মানের অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এই ধ্রুব সংখাটিকে রিপল ফ্যাক্টর বলে। রিপল ফ্যক্টরের মান যত কম হয় রেক্টফায়ার এর DC আউটপুট তত ভালো মানের হয়।
হাফ ওয়েভ রেক্টফায়ার এর রিপল ফ্যাক্টরঃ 1.21, হাফ ওয়েভ রেক্টফায়ার এর দক্ষতাঃ 40.6%
ফুল ওয়েভ রেক্টফায়ার এর রিপল ফ্যাক্টরঃ 0.48, ফুল ওয়েভ রেক্টফায়ার এর দক্ষতাঃ 81.2%
অ্যামপ্লিফায়ার
অ্যামপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক এমন একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে কোন দুর্বল বা ছোট সিগন্যালকে শক্তিশালী বা বড় সিগন্যালে রূপান্তরিত করা যায়।
অসিলেটর কি?
ইহা একটি এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বা সার্কিট যার মাধ্যমে চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন রেঞ্জের ফ্রিকুয়েন্সি উৎপন্ন করা যায়। ইহা মুলতঃ ডিসি সোর্স হতে প্রাপ্ত এনার্জিকে পরিবর্তনশীল আউটপুটে রুপান্তরিত করে। এই আউটপুট Sinusoidal বা Non Sinusoidal হয়ে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের অসিলেটর-
ক্রিস্টাল অসিলেটর, হারটলি অসিলেটর, ফেজ-শিফট অসিলেটর, ওয়েন ব্রিজ অসিলেটর, টিউন্ড অসিলেটর, কলপিটস অসিলেটর ইত্যাদি।
ফিডব্যাক কি?
আউটপুট সার্কিট হতে সিগন্যালকে পুনরায় ব্যবহারের জন্য ইনপুটে সিগন্যাল দেয়াকে ফিড ব্যাক বলে।
পজিটিভ ফিডব্যাক কি?
আউটপুটে ইনডাকটিভ লোড থাকলে আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুট ভোল্টেজের সাথে ইনফেজ হয়, ইহাতে ইনপুট সিগন্যাল বেড়ে যায় এরকম ফিডব্যাককে পজিটিভ ফিডব্যাক বলে। ইহাকে রিজেনারেশনও বলে।
নেগেটিভ ফিডব্যাক কি?
আউটপুটে রেজিস্টিভ লোড থাকলে আউটপুট ভোল্টেজ ইনপুট ভোল্টেজের সাথে ১৮০ আউট অফ ফেজ হয়, ইহাতে ইনপুট সিগন্যাল কমে যায় এরকম ফিডব্যাককে নেগেটিভ ফিডব্যাক বলে। ইহাকে ডিজেনারেশনও বলে।
ট্যাংক সার্কিট কি? এর ব্যবহার উল্লেখ কর।
অসিলেটর এর মেইন অংশ হচ্ছে ট্যাংক সার্কিট। ইহা এক ধরনের সার্কিট যা রিজেনারেটর এবং ফ্রিকুয়েন্সি নির্ধারণ করে। ইহা L-C সার্কিটের সমন্বয়ে গঠিত।
অসিলেটর সার্কিটে চারজিং ও ডিসচারজিং এর মাধ্যমে অসিলেশন করার জন্য ট্যাংক সার্কিট ব্যবহার করা হয়।সুইসগিয়ার কাকে বলে?
সুইসগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইসিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়ারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়।আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।
লাইটিং এরেস্টার
লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।
রিভার্স পাওয়ার রীলে
প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
বুখলজ রীলে
ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন ত্রুটির প্রটেকশন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটর এর মাঝে পাইপে যে রীলে বসানো থাকে সেটাই বুখলজ রীলে। ত্রুটিজনিত অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে যে গ্যাসের সৃষ্টি হয়, তার চাপেই এই রীলে কাজ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র অয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রীলে ব্যবহৃত হয়।
ডিফারেনশিয়াল রীলে
ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।
ড্রপ আউট ফিউজ কি?
যে সব ক্ষেত্রে ফিউজ লিংক, ফিউজ ক্যারিয়ার সহ প্রতিটি অপারেশনের পর ড্রপ আউট হয়। ফিউজ লিংক থেকে যদি ফিউজের ক্যারিয়ার এসে ঝুলতে থাকে এবং লাইনের উভয় টার্মিনাল পৃথকীকরণ হয়, এ ধরনের ফিউজকে ড্রপ আউট ফিউজ বলে।
ফিউজিং কারেন্ট কি?
সরবনিন্ম যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজ তার গলে যায় তাকে ঐ ফিউজের ফিজিং কারেন্ট বলে। এই কারেন্টের মান ঐ ফিউজের ফিউজিং এলেমেন্ট কারেন্ট রেটিং এর বেশি হয়।
কারেন্ট রেটিং অফ ফিউজিং এলিমেন্ট কি?
ফিউজ তার অতিরিক্ত গরম না হয়ে বা গলে না গিয়ে ম্যাক্সিমাম যে পরিমান কারেন্ট বহন করতে সক্ষম, তাকে ঐ ফিউজের কারেন্ট রেটিং বলে।
ফিউজের কাট অফ কারেন্ট কি?
শর্ট সার্কিট কারেন্ট সরবোচ্চ যে মানে পৌছার পূর্বে ফিউজ তার গলে যায়, তাকে ঐ ফিউজের কাট অফ কারেন্ট বলে।
সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষন যন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।
রীলে
রীলে এমন একটি সয়ংক্রীয় ডিভাইস, যা বৈদ্যুতিক সার্কিট এ কোন ফল্ট সংঘটিত হলে, সার্কিট এর প্রটেকটিভ ডিভাইস গুলো কে সয়ংক্রীয় ভাবে অপারেট করে এবং ফল্টযুক্ত অংশ কে ফল্টবিহীন অংশ হতে আলাদা করে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
১০ টি রিলের নাম
A। প্রাইমারি রিলে
B। সেকেন্ডারি রিলে
C। ডিরেকশনাল রিলে
D। ডিফারেন্সিয়াল রিলে
E। থার্মাল রিলে।
F। ইলেক্ট্র থার্মাল রিলে
G। রিভার্স পাওয়ার রিলে
H। সলিনয়েড এন্ড প্লাঞ্জার রিলে
I। ডিসট্যান্স রিলে
J। ওভার ভোল্টেজ ও ওভার কারেন্ট রিলে
রিভার্স পাওয়ার রীলে
প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
থার্মাল রীলে
যে রীলে কারেন্ট বৃদ্ধির ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সাড়া দেয়, তাকে থার্মাল রীলে বলে। এটা সাধারণত মোটর কন্ট্রোল সার্কিট, ব্যালান্স এবং আন-ব্যালান্স থ্রি-ফেজ সার্কিটে ব্যবহার করা হয়।
ডিফারেনশিয়াল রীলে
ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।
HRC ফিউজ
HRC= High Rupturing Capacity । উচ্চ কারেন্ট প্রবাহিত হয় এরকম লাইনে যে ফিউজ ব্যবহার হয় সেগুলো HRC ফিউজ। এতে চিনা মাটির তৈরি কেসিং এর মধ্যে ফিউজ তার সংযুক্ত থাকে। ফিউজ তারের চারদিকে বালু বা চক পাউডার এবং কেসিং এর দু-মাথায় দুটি পিতলের ঢাকনা থাকে। ফিউজ তার উভয় ঢাকনার সাথে সংযুক্ত থাকে।
বুখলজ রীলে
ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন ত্রুটির প্রটেকশন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটর এর মাঝে পাইপে যে রীলে বসানো থাকে সেটাই বুখলজ রীলে। ত্রুটিজনিত অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে যে গ্যাসের সৃষ্টি হয়, তার চাপেই এই রীলে কাজ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র অয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রীলে ব্যবহৃত হয়।
আর্থিং সুইস কি?
ট্রান্সমিশন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের সময় লাইনে বিদ্যমান চার্জিং কারেন্টকে মাটিতে পাঠানোর জন্য যে সুইস ব্যবহৃত হয় সেটি আর্থিং সুইস (ES) নামে পরিচিত। আগে আইসোলেটর দিয়ে সার্কিট ডিসকানেক্ট করে আর্থ সুইস দ্বারা লাইনকে আর্থের সাথে সংযোগ করা হয়।
ওয়েভ ট্রাপ কি?
সাব-স্টেশনে ব্যবহৃত ক্যারিয়ার সরঞ্জামাদির মধ্যে ওয়েভ ট্রাপ অন্যতম একটি ডিভাইস, যার মাধ্যমে ট্রান্সমিশন লাইনের ওয়েভকে ফিল্টার করা হয়। পাওয়ার লাইনের মাধ্যমেই কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিও পাঠানো হয়, পরবর্তীতে এই ওয়েভ ট্রাপ দিয়ে কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিকে আলাদা করে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করে টেলিফোন বা যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়।
সার্জ ভোল্টেজ কি?
পাওয়ার সিস্টেমে হঠাৎ করে খুব অল্প সময়ের জন্য অস্বাভাবিক ভোল্টেজ বৃদ্ধিকে সার্জ ভোল্টেজ বলে। একে ট্রানজিয়েন্ট ভোল্টেজও বলে।
কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর
কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর বা বিদ্যুৎ সীমিত করন রিয়াক্টর যথেষ্ট ইন্ডাক্টিভ রিয়াক্ট্যান্স বিশিষ্ট এক ধরনের ইন্ডাকটিভ কয়েল। শর্ট সার্কিট অবস্থায় কারেন্টের পরিমাণকে সীমিত রেখে ফল্ট কারেন্টের বিপদমাত্রা নিরাপদ সীমায় নিয়ে আসার জন্য এই রিয়াক্টর লাইনের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়।
লোড শেডিং
যখন চাহিদার তুলনায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ এর পরিমান কম হয়, তখন কোন কোন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হয়, যাতে ওভার লোডে পুরো সিস্টেম বন্ধ হয়ে না যায়। এ ব্যবস্থাকে লোড শেডিং বলে।
লোড শেয়ারিং
একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উপর অর্পিত সকল লোড বিভিন্ন প্লান্টের সকল জেনারেটরের মধ্যে যুক্তিযুক্ত ভাবে বন্টন করাকে লোড শেয়ারিং বলে।
‘ j ‘ operator কাকে বলে?
একটি operator যার মান √-1 কোন ভেক্টরের সহিত মাল্টিপ্লাইং ফ্যাক্টর হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে উক্ত ভেক্টর এর ৯০০ বামাবর্তে ঘূর্ণন নির্দেশ টাকা ‘ j ‘ operator বলে।
ওহমের সূত্র
ওহমের সুত্রঃ স্থির তাপমাত্রায় কোন বর্তনীর মধ্য দিয়ে যে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাহা ঐ বর্তনীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সহিত সরাসরি সমানুপাতিক এবং রেজিস্টেন্সের সহিত উল্টানুপাতিক। অর্থাৎ I αV or I α1/V or I =V/R.
কারশফের সূত্র
কারশফের কারেন্ট সুত্র (KCL) কোন বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের এক বিন্দুতে মিলিত কারেন্ট সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য অথবা কোন বিন্দুতে আগত কারেন্ট = নির্গত কারেন্ট।
কারশফের ভোল্টেজ সুত্র (KVL) কোন বদ্ধ বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের সকল ই.এম.এফ এবং সকল ভোল্টেজ ড্রপের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য।
ফ্যারাডের সূত্র
প্রথম সুত্রঃ একটি তার বা কয়েলে ই. এম. এফ আবিষ্ট হয় তখন, যখন উক্ত তার বা কয়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তন ঘটে।
দ্বিতীয় সুত্রঃ আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বল এর পরিমান চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
উপরোক্ত সূত্র দুটি একত্রে এভাবে লেখা যায়ঃ একটি পরিবাহী এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রে আপেক্ষিক গতি যখন এরুপভাবে বিদ্যমান থাকে যে, পরিবাহীটি চৌম্বক ক্ষেত্রটিকে কর্তন করে, তখন পরিবাহিতে আবেশিত একটি বিদ্যুচ্চালক বল সংঘটিত কর্তনের হারের সাথে সমানুপাতিক।
লেনজের সূত্র লিখ।
আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বলের কারনে পরিবাহী তারে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্ট পরিবাহী তারের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, যা দারা আবেশিত কারেন্টের উৎপত্তি, উহাকেই (অর্থাৎ পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স) এ (সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র) বাধা প্রদান করে । যেখানে পরিবাহী স্থির এবং চৌম্বক ক্ষেত্র গতিতে থাকে সেখানে লেনজের সূত্র ব্যবহার হয়।
ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল কি?
দক্ষিণ হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলি, তর্জনী ও মধ্যমাকে পরস্পর সমকোণে রেখে বিস্তৃত করলে যদি তর্জনী চৌম্বক বলরেখার অভিমুখ এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি পরিবাহী তারের ঘূর্ণনের অভিমুখ নির্দেশ করে, তবে মধ্যমা পরিবাহিতে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্টের অভিমুখ নির্দেশ করেবে। ইহাই ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল। যেখানে চৌম্বক ক্ষেত্র স্থির এবং পরিবাহী গতিতে থাকে, সেখানে ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল ব্যবহার করা হয়।
মিউচুয়াল ফ্লাক্স কাকে বলে?
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কয়েলের একটিতে কারেন্ট প্রবাহের ফলে সৃষ্ট ফ্লাক্সের যে অংশবিশেষ অন্যটিতে সংশ্লিষ্ট হয়, তাকে মিউচুয়াল ফ্লাক্স বলে।
স্যাগ
দুইটি পোল বা টাওয়ারের মধ্যে কন্ডাকটর লাগানো হলে কন্ডাকটরটি কিছুটা ঝুলে পড়ে। পোল বা টাওয়ার দুইটির যে বিন্দুতে কন্ডাকটর লাগানো হয়েছে সেই বিন্দু দুইটির সংযোগকারি কাল্পনিক রেখা হতে কন্ডাকটরটির সর্বোচ্চ ঝুলকে স্যাগ (SAG) বা ঝুল বলে।
তার ও ক্যাবল
তার খোলা বা হালকা ইন্সুলেশন যুক্ত হয় এবং সলিড বা স্ট্রান্ডেড হয়, কিন্তু ক্যাবল সব সময় ইন্সুলেটেড ও স্ট্রান্ডেড হয়।
A.C.S.R ক্যাবল
একে Steel cored aluminium-ও বলে। উচ্চ ভোল্টেজ পরিবহন করার জন্য অ্যালুমিনিয়াম কন্ডাকটরের কেন্দ্রে প্রলেপ যুক্ত ষ্টীল কোর ব্যবহার করে A.C.S.R তার তৈরি করা হয়। এতে অ্যালুমিনিয়াম তারের টান সহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
লাইটিং এরেস্টার
লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।
সিমেট্রিক্যাল ফল্ট কি?
সিস্টেমে যে ফল্টের কারণে থ্রি ফেজ সিস্টেমে প্রতিটি ফেজে সমান ফল্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ রকম ফল্টকে সিমেট্রিক্যাল ফল্ট বলে।
বাসবার কি?
বাসবার এক ধরনের তামা বা এলুমিনিয়ামের তৈরি পরিবাহী পাত, বার বা রড, যা এক বা একাধিক সার্কিটে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ ও বিতরন করে।
বাস কাপলার কি?
বাস কাপলার মূলত সার্কিট ব্রেকার ও আইসোলেটর এর সমন্বয়ে গঠিত যা এক বাস এর সাথে অন্য বাসের সংযোগ এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
বাসবার সেকশনালাইজড করা হয় কেন?
একটি সিস্টেমে কোন অংশে ত্রুটি হলে বা মেরামতের প্রয়োজন দেখা দিলে যাতে শুধু ত্রুটিজুক্ত অংশটিকে আলাদা করে দেয়া যায় এবং সমগ্র বাসবার সিস্টেম বন্ধ না করে ত্রুটিমুক্ত অংশ চালু রাখা যায় সেজন্য বাসবারসেকশনালাইজড করা হয় ।
শতকরা রিয়াক্ট্যান্স কাকে বলে?
কোন সার্কিটে ফুল লোড কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় মোট ফেজ ভোল্টেজ ড্রপের শতকরা হারকে শতকরা রিয়াক্ট্যান্স বলে। শতকরা রিয়াক্ট্যান্স, %X =( IFL Xohm/VPH )x100
কি কি পদ্ধতিতে শর্ট সার্কিট কারেন্ট নির্ধারণ করা হয়?
তিন পদ্ধতি- ১) ওহমিক পদ্ধতি ২) পার ইউনিট পদ্ধতি ৩) শতকরা রিয়াক্ট্যান্স পদ্ধতি।
পার ইউনিট পদ্ধতি কি?
সোর্স হতে ত্রুটিপূর্ণ স্থান পর্যন্ত প্রতিটি মেশিন বা ডিভাইসের (জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, লাইন, রিয়াক্টর, ফিডরইত্যাদির) পার ইউনিট পদ্ধতিতে ইম্পিডেন্স (Z) বের করতে হয় এ সময় ঐ ডিভাইস সমুহের সমতুল্য ইম্পিডেন্স সিরিজ/ প্যারালেল/ সিরিজ প্যারালেলে (কানেকশন অনুযায়ী) বের করে কোন জানা কেভিএ এর অনুপাতে রূপান্তরিত করতে হয়।রূপান্তরিত পার ইউনিট ইম্পিডেন্স হবে-
Zpu = Zpux(KVAbase/KVArated)
কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর কি? কেন ব্যবহার করা হয়?
কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর বা বিদ্যুৎ সীমিত করন রিয়াক্টর যথেষ্ট ইন্ডাক্টিভ রিয়াক্ট্যান্স বিশিষ্ট এক ধরনের ইন্ডাকটিভ কয়েল শর্ট সার্কিট অবস্থায় কারেন্টের পরিমাণকে সীমিত রেখে ফল্ট কারেন্টের বিপদমাত্রা নিরাপদ সীমায় নিয়ে আসার জন্য এই রিয়াক্টর লাইনের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়।
ফিউজের ফিউজিং ফ্যাক্টর কি?
ফিউজের মিনিমাম ফিউজিং কারেন্ট এবং কারেন্ট রেটিং অব ফিউজ এর অনুপাতকে ফিউজের ফিউজিং ফ্যাক্টর বলে। এর মান ১ এর চেয়ে বেশি হয়।
মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
মিনিয়েচার শব্দের আভিধানিক অর্থ হল ক্ষুদ্রাকার যে সার্কিট ব্রেকার অল্প কারেন্টে কাজ করে এবং আকারের দিক দিয়েও ছোট এই ধরনের সার্কিট ব্রেকারগুলোকে মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে।
সার্কিট ব্রেকারের রেটিং কি? রেটিং কি কি?
যে স্পেসিফিকেশন হতে সার্কিট ব্রেকারের গুণগত, মানগত, কার্জগত বিভিন্ন দিক জানা তাকে সার্কিট ব্রেকারেররেটিং বলে সার্কিট ব্রেকারের রেটিংগুলো তিন ধরনের হয়ে থাক ১) ব্রেকিং ক্যাপাসিটি ২) মেকিং ক্যাপাসিটি ৩) শর্ট টাইম ক্যাপাসিটি
সার্কিট ব্রেকার মাউন্টিংস কি?
সার্কিট ব্রেকার এবং এর আনুষঙ্গিক সাহায্যকারী যন্ত্রপাতিগুলো যে ফ্রেম বা স্ট্রাকচারের মাঝে স্থাপন করা হয় তাকে সার্কিট ব্রেকার মাউন্টিংস বলে।
আর্ক কি? আর্ক ভোল্টেজ কি?
আর্ক হল এক ধরনের ইলেক্ট্রিক ডিসচার্জ যা দুটি ইলেক্ট্রডের মধ্যে সৃষ্টি হয় ও ক্ষুদ্র স্ফুলিঙ্গ দেখা দেয়।আর্কিং পিরিয়ডে সার্কিট ব্রেকারের কন্ট্যাকদ্বয়ের আড়াআড়িতে যে ভোল্টেজ পাওয়া যায়, তাকে আর্ক
ভোল্টেজ বলে।
এয়ার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
যে সার্কিট ব্রেকারে আর্ক নির্বাপণ এবং অপারেটিং স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলের বাতাসের চাপে করা হয় তাকে এয়ার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে।
সার্কিট ব্রেকারের রিস্ট্রাইকিং ভোল্টেজ কাকে বলে?
আর্ক পিরিয়ডে প্রায় কারেন্ট শুন্য অবস্থায় সার্কিট ব্রেকারের কন্ট্যাক্টস এর মাঝে যে ট্রানজিয়েট ভোল্টেজের সৃষ্টি হয় তাকে রিস্ট্রাইকিং ভোল্টেজ বলে।
MCB – Miniature Circuit Breaker.
MCCB – Moulded Case Circuit Breaker.
HRC – High Rupturing Capacity.
ELCB – Earth Leakage Circuit Breaker
ACB – Air Circuit Breaker
পাওয়ার ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় উৎপাদিত ইলেক্ট্রিক্যাল পাওয়ারকে সস্তায় ও বিশ্বস্ততার সাথে গ্রাহক পর্যায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে সমগ্র ইলেক্ট্রিক্যাল সিস্টেমকে একটি কমন নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়, এই নেটওয়ার্কটি দুটি অংশ ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন।
প্রাইমারি ট্রান্সমিশন কি?
উৎপাদন কেন্দ্রের প্রেরণ প্রান্ত থেকে রিসিভিং প্রান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ অতি উচ্চ ভোল্টেজ লাইনকে প্রাইমারি ট্রান্সমিন (লাইন) বলা হয়। প্রাইমারি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ 110KV, 132KV, 230KV, 400KV পর্যন্ত বা আরও বেশি হতে পারে।


No comments